দূরে কোথাও আছি বসে
হাত দুটো দাও বাড়িয়ে,
বিরহ ছু’তে চায় মনের দুয়ার
দু’চোখ নির্বাক আসোনা ছুটে।
তুমি এলে রংধনু রঙ ডেলে দেয়
তুমি এলে মেঘেরা বৃষ্টি ছড়ায়
এই মনের আহলাদ আসোনা ছুটে।
অনুরাগে ঝরে চাঁদও আজ
এ লগনেও এলেনা,
অনুভব নিশ্চুপ আজ
কথা যে বলেনা।
ভাল যদি বাসো তুমি আমাকে
ছুটে চলে আসোনা।
নীল আচল নিরমল হাওয়া
এ লগনেও এলেনা,
অচেতন থাকে মন
নিষ্প্রান যত ভাবনা।
ভাল যদি বাসো তুমি আমাকে
ছুটে চলে আসোনা।
দূরে কোথাও আছি বসে
হাত দুটো দাও বাড়িয়ে,
বিরহ ছু’তে চায় মনের দুয়ার
দু’চোখ নির্বাক আসোনা ছুটে।
তুমি এলে রংধনু রঙ ডেলে দেয়
তুমি এলে মেঘেরা বৃষ্টি ছড়ায়
এই মনের আহলাদ আসোনা ছুটে।
Wednesday, 7 September 2016
Wednesday, 20 April 2016
Song: যে পাখি ঘর বোঝে না
যে পাখি ঘর বোঝে না
উড়ে বেড়ায় বন বাজারে
ভোলা মনে মিছে কেন
মনের খাঁচায় রাখিস তারে...!!
ও পাখি ছন্নছাড়া বাঁধন হারা
মানে না প্রেমের শিকল
ও পাখি দশ দুয়ারী
শত মন করে দখল
যে পাখি ঘর বোঝে না...
পাখিটার এমন স্বভাব নিজের অভাব
পূরন করে নিজের মত
পাখিটা হাঁসে খেলে অন্তরালে
সুনিপুণ করে ক্ষত
ও পাখি বাঁধন হারা ছন্নছাড়া
মানে না প্রেমের শিকল
ও পাখি দশ দুয়ারে
শত মন করে দখল
যে পাখি ঘর বোঝে না...
পাখিটার মতিধমে দমে দমে
পুরি কেবল সংখ্যা গুনে
পাখিটা চর ভেবে নেয় মন হাতিয়ে
বেথা দেয় বুঝে শুনে
ও পাখি বাঁধন হারা ছন্নছাড়া
মানে না প্রেমের শিকল
ও পাখি দশ দুয়ারে
শত মন করে দখল
যে পাখি ঘর বোঝে না...
Monday, 11 April 2016
Poem: বিধবা - আদিত্য অনীক
বিধবা
আদিত্য অনীক
আমি যখন ছোট্ট তখন বাবার বাড়ি ছিলাম,
ফুলের মত তুলতুলে তাই কুসুম আমার নাম ।
চাঁদের সাথে খেলা করি স্বপ্নে ভাসাই তরী,
আমি ছিলাম কিশোরগঞ্জের বিশিষ্ট সুন্দরী ।
ভাইয়ের আদর মায়ের স্নেহ বাবার জাতিকুল,
এসব মাথায় করে হঠাৎ বিয়ের ফুটলো ফুল ।
বুকে টেনে বললো বাবা দু’চোখ ছলোছলো,
এখন থেকে শ্বশুরবাড়ি তোমার বাড়ি হলো ।
নারী জাতির বাপের বাড়ি চিরকালই পর,
শ্বশুরবাড়ি আসল বাড়ি ওটাই নিজের ঘর ।
শ্বশুরবাড়ি এসে দেখি অন্য রকম খেলা,
কানের কাছে দিন-রজনী বাজে বুবু-জেলা ।
রুদ্ধদ্বারের শ্বশুরবাড়ি ভিতর মহল থাকি ,
ঘোমটা খুলে খিড়কি দিয়ে আসমানে চোখ রাখি।
শ্বশুর বলেন রেগে-মেগে “ আসমানে কী চাও ?
আমার বাড়ি থাকতে হলে মাথায় কাপড় দাও ।”
বিয়ের আগে বাপের বাড়ি ছিল আমার ঠাই,
বিয়ের পরে শ্বশুরবাড়ি নিজের বাড়ি নাই ।
শ্বশুর-বাবা মারা গেলেন স্বর্গে দিলেন পাড়ি,
হাত বদলে শ্বশুরালয় হলো স্বামীর বাড়ি ।
স্বামী আমার অধিপতি আমি ক্ষুদ্র প্রজা,
সকল ভালোর কৃতিত্বে তার উড়ে জয়ধ্বজা ।
দুঃখ-ব্যথা-অমঙ্গলে, ভ্রান্তি এবং ভয়ে,
আমার মাথা বলির পাঁঠা সকল বিপর্যয়ে ।
স্বামী ছিল অশ্বত্থ গাছ ডালে ডালে পাখি,
তারই ছায়ার নির্ভরতায় জীবন ধরে রাখি ।
স্বামী মারা যাবার পরে আমার দুটি ছেলে,
দেয়াল তুলে বাড়িটাকে দু’ভাগ করে ফেলে ।
এজমালিতে ছিল শুধু সিঁড়ির চিলেকোঠা ,
আমার থাকার জন্য নাকি দারুণ হবে ওটা ।
সকাল বিকেল ছাদে গেলে সূর্য যাবে দেখা,
অন্ধকারে দেখতে পাবো ছায়াপথের রেখা ।
এ সপ্তাহে বড় ছেলে ও সপ্তাহে ছোটো ,
তুলাদণ্ডে আমার খাবার ভাগ হয়ে যায় দু’টো ।
মা মরেছে বাপ মরেছে আছে মাথার ভাই,
মাঝেমাঝে ভাইয়ের বাড়ি নাইওর করতে যাই ।
কদিন যেতেই ভাইয়ের ঘরে বাড়তি হয়ে পড়ি,
ইচ্ছে করে পুকুর জলে কলসি বেঁধে মরি ।
শ্বশুরবাড়ি স্বামীর বাড়ি ছেলের বাড়ি আছে,
আমি যেন গাই-হনুমান লাফাই গাছে গাছে ।
বড় ছেলের কাস্টমে জব টাকা কাড়ি কাড়ি,
ছোট ছেলে গ্রামীণ ফোনে পদ-পদবী ভারী ।
ডেভেলপার এসে একদিন বাড়ি বুঝে নিলো,
তাদের হাতে বড় ছেলে চাবি তুলে দিলো ।
পুরাণ বাড়ি ভেঙ্গে ফেলে নতুন করে তবে
চোখ ধাঁধানো পঁচিশ তলা উঁচু দালান হবে ।
দু’ছেলে দুই পোশ এলাকায় ভাড়ায় নিলো ফ্লাট,
এক লহমায় চুকিয়ে দিল একান্নতার পাট ।
মাল-সামানা তুলে নিলো ভাড়াটে বাড়িতে,
সমস্যাটা হলো তাদের আমায় তুলে নিতে ।
বড় বউয়ের ভাই-বোনেরা তাদের সাথে থাকে ,
গিঞ্জি বাসায় কেমন করে শাশুড়িকে রাখে ?
ছোট্ট ছেলের বাসা ভর্তি নানান ক্যালাব্যালা,
ছেলেমেয়ের সংখ্যা বেশি জিনিসপত্র ম্যালা ।
ওদের বাসা খুবই ছোট, খুব বেশি নেই ঠাই,
এতকিছু রাখার পর আর মায়ের জায়গা নাই ।
ছেলে দু’টি সুশিক্ষিত আদব-লেহাজ মাপা,
বউয়ের কথার বাইরে তারা কেউ ফেলে না পা ।
মাকে এখন রাখে কোথায় কঠিন ধারাপাতে,
নাদুস-নুদুস ছেলে দু’টোর ঘুম আসে না রাতে ।
অনেক বুদ্ধি খরচ করে খুঁজলো সমাধান,
অবশেষে বৃদ্ধাশ্রমে মিললো আমার স্থান ।
নিরিবিলি খোলামেলা উদার পরিবেশ,
ইবাদত আর বন্দেগীতে থাকবো নাকি বেশ ।
এখন আমি বিধবা মা মানুষ বলে রাড়ি,
মেয়েলোকের কবর ছাড়া হয় না নিজের বাড়ি ।
নিঃসঙ্গ দিন নিঃসঙ্গ রাত যাচ্ছে সময় কেটে,
পোড়া চোখের জলে ভিজি অতীত স্মৃতি ঘেঁটে ।
ঈদের খুশী রোজা খুশী জন্মদিনের সুখে,
ছোট্ট দুটি খোকার জামা ঝাপটে ধরি বুকে ।
গভীর রাতের নামায শেষে বলি মোনাজাতে,
আমার অবোধ ছেলে দু’টো থাকুক দুধে-ভাতে ।
আদিত্য অনীক
আমি যখন ছোট্ট তখন বাবার বাড়ি ছিলাম,
ফুলের মত তুলতুলে তাই কুসুম আমার নাম ।
চাঁদের সাথে খেলা করি স্বপ্নে ভাসাই তরী,
আমি ছিলাম কিশোরগঞ্জের বিশিষ্ট সুন্দরী ।
ভাইয়ের আদর মায়ের স্নেহ বাবার জাতিকুল,
এসব মাথায় করে হঠাৎ বিয়ের ফুটলো ফুল ।
বুকে টেনে বললো বাবা দু’চোখ ছলোছলো,
এখন থেকে শ্বশুরবাড়ি তোমার বাড়ি হলো ।
নারী জাতির বাপের বাড়ি চিরকালই পর,
শ্বশুরবাড়ি আসল বাড়ি ওটাই নিজের ঘর ।
শ্বশুরবাড়ি এসে দেখি অন্য রকম খেলা,
কানের কাছে দিন-রজনী বাজে বুবু-জেলা ।
রুদ্ধদ্বারের শ্বশুরবাড়ি ভিতর মহল থাকি ,
ঘোমটা খুলে খিড়কি দিয়ে আসমানে চোখ রাখি।
শ্বশুর বলেন রেগে-মেগে “ আসমানে কী চাও ?
আমার বাড়ি থাকতে হলে মাথায় কাপড় দাও ।”
বিয়ের আগে বাপের বাড়ি ছিল আমার ঠাই,
বিয়ের পরে শ্বশুরবাড়ি নিজের বাড়ি নাই ।
শ্বশুর-বাবা মারা গেলেন স্বর্গে দিলেন পাড়ি,
হাত বদলে শ্বশুরালয় হলো স্বামীর বাড়ি ।
স্বামী আমার অধিপতি আমি ক্ষুদ্র প্রজা,
সকল ভালোর কৃতিত্বে তার উড়ে জয়ধ্বজা ।
দুঃখ-ব্যথা-অমঙ্গলে, ভ্রান্তি এবং ভয়ে,
আমার মাথা বলির পাঁঠা সকল বিপর্যয়ে ।
স্বামী ছিল অশ্বত্থ গাছ ডালে ডালে পাখি,
তারই ছায়ার নির্ভরতায় জীবন ধরে রাখি ।
স্বামী মারা যাবার পরে আমার দুটি ছেলে,
দেয়াল তুলে বাড়িটাকে দু’ভাগ করে ফেলে ।
এজমালিতে ছিল শুধু সিঁড়ির চিলেকোঠা ,
আমার থাকার জন্য নাকি দারুণ হবে ওটা ।
সকাল বিকেল ছাদে গেলে সূর্য যাবে দেখা,
অন্ধকারে দেখতে পাবো ছায়াপথের রেখা ।
এ সপ্তাহে বড় ছেলে ও সপ্তাহে ছোটো ,
তুলাদণ্ডে আমার খাবার ভাগ হয়ে যায় দু’টো ।
মা মরেছে বাপ মরেছে আছে মাথার ভাই,
মাঝেমাঝে ভাইয়ের বাড়ি নাইওর করতে যাই ।
কদিন যেতেই ভাইয়ের ঘরে বাড়তি হয়ে পড়ি,
ইচ্ছে করে পুকুর জলে কলসি বেঁধে মরি ।
শ্বশুরবাড়ি স্বামীর বাড়ি ছেলের বাড়ি আছে,
আমি যেন গাই-হনুমান লাফাই গাছে গাছে ।
বড় ছেলের কাস্টমে জব টাকা কাড়ি কাড়ি,
ছোট ছেলে গ্রামীণ ফোনে পদ-পদবী ভারী ।
ডেভেলপার এসে একদিন বাড়ি বুঝে নিলো,
তাদের হাতে বড় ছেলে চাবি তুলে দিলো ।
পুরাণ বাড়ি ভেঙ্গে ফেলে নতুন করে তবে
চোখ ধাঁধানো পঁচিশ তলা উঁচু দালান হবে ।
দু’ছেলে দুই পোশ এলাকায় ভাড়ায় নিলো ফ্লাট,
এক লহমায় চুকিয়ে দিল একান্নতার পাট ।
মাল-সামানা তুলে নিলো ভাড়াটে বাড়িতে,
সমস্যাটা হলো তাদের আমায় তুলে নিতে ।
বড় বউয়ের ভাই-বোনেরা তাদের সাথে থাকে ,
গিঞ্জি বাসায় কেমন করে শাশুড়িকে রাখে ?
ছোট্ট ছেলের বাসা ভর্তি নানান ক্যালাব্যালা,
ছেলেমেয়ের সংখ্যা বেশি জিনিসপত্র ম্যালা ।
ওদের বাসা খুবই ছোট, খুব বেশি নেই ঠাই,
এতকিছু রাখার পর আর মায়ের জায়গা নাই ।
ছেলে দু’টি সুশিক্ষিত আদব-লেহাজ মাপা,
বউয়ের কথার বাইরে তারা কেউ ফেলে না পা ।
মাকে এখন রাখে কোথায় কঠিন ধারাপাতে,
নাদুস-নুদুস ছেলে দু’টোর ঘুম আসে না রাতে ।
অনেক বুদ্ধি খরচ করে খুঁজলো সমাধান,
অবশেষে বৃদ্ধাশ্রমে মিললো আমার স্থান ।
নিরিবিলি খোলামেলা উদার পরিবেশ,
ইবাদত আর বন্দেগীতে থাকবো নাকি বেশ ।
এখন আমি বিধবা মা মানুষ বলে রাড়ি,
মেয়েলোকের কবর ছাড়া হয় না নিজের বাড়ি ।
নিঃসঙ্গ দিন নিঃসঙ্গ রাত যাচ্ছে সময় কেটে,
পোড়া চোখের জলে ভিজি অতীত স্মৃতি ঘেঁটে ।
ঈদের খুশী রোজা খুশী জন্মদিনের সুখে,
ছোট্ট দুটি খোকার জামা ঝাপটে ধরি বুকে ।
গভীর রাতের নামায শেষে বলি মোনাজাতে,
আমার অবোধ ছেলে দু’টো থাকুক দুধে-ভাতে ।
Friday, 23 October 2015
Song: বলতে চেয়ে মনে হয় বলতে তবু দেয় না হৃদয়
বলতে চেয়ে মনে হয়
বলতে তবু দেয় না হৃদয়
কতটা তোমায় ভালবাসি
চলতে গিয়ে মনে হয়
দূরত্ব কিছু নয়
তোমারই কাছে ফিরে আসি
তুমি তুমি তুমি শুধু এই মনের আনাচে কানাচে
সত্যি বলনা কেউ কি প্রেমহীনা
কখনো বাঁচে
মেঘের খামে আজ তোমার নামে
উড়ো চিঠি পাঠিয়ে দিলাম
পড়ে নিও তুমি মিলিয়ে নিও খুব
যতনে তা লিখেছিলাম
ও চায় পেতে আরো মন
পেয়েও এত কাছে
তুমি তুমি তুমি শুধু এ মনের আনাচে কানাচে
সত্যি বলনা কেউ কি প্রেমহীনা
কখনো বাঁচে
মন অল্পতে প্রিয় গল্পতে
কল্পনায় স্বপ্ন আঁকে
ভুল ত্রুটি আবেগী খুনসুটি
সারাক্ষণ তোমায় ছুঁয়ে রাখে
ও চায় পেতে আরো মন
পেয়েও এত কাছে
বলতে চেয়ে মনে হয়
বলতে তবু দেয়না হৃদয়
কতটা তোমায় ভালবাসি
চলতে গিয়ে মনে হয়
দূরত্ব কিছু নয়
তোমারই কাছে ফিরে আসি
তুমি তুমি তুমি শুধু এ মনের আনাচে কানাচে
সত্যি বলনা কেউ কি প্রেমহীনা
কখনো বাঁচে
Wednesday, 13 May 2015
Poem: আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও
আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,
রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।
বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি,
একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।
একটুখানি হাওয়া দিলেই ঘর নড়বড় করে,
তারি তলে আসমানীরা থাকে বছর ভরে।
পেটটি ভরে পায় না খেতে, বুকের ক-খান হাড়,
সাক্ষী দিছে অনাহারে কদিন গেছে তার।
মিষ্টি তাহার মুখটি হতে হাসির প্রদীপ-রাশি
থাপড়েতে নিবিয়ে দেছে দারুণ অভাব আসি।
পরনে তার শতেক তালির শতেক ছেঁড়া বাস,
সোনালি তার গা বরণের করছে উপহাস।
ভোমর-কালো চোখ দুটিতে নাই কৌতুক-হাসি,
সেখান দিয়ে গড়িয়ে পড়ে অশ্রু রাশি রাশি।
বাঁশির মতো সুরটি গলায় ক্ষয় হল তাই কেঁদে,
হয় নি সুযোগ লয় যে সে-সুর গানের সুরে বেঁধে।
আসমানীদের বাড়ির ধারে পদ্ম-পুকুর ভরে
ব্যাঙের ছানা শ্যাওলা-পানা কিল্-বিল্-বিল করে।
ম্যালেরিয়ার মশক সেথা বিষ গুলিছে জলে,
সেই জলেতে রান্না-খাওয়া আসমানীদের চলে।
পেটটি তাহার দুলছে পিলেয়, নিতুই যে জ্বর তার,
বৈদ্য ডেকে ওষুধ করে পয়সা নাহি আর।
রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।
বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি,
একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।
একটুখানি হাওয়া দিলেই ঘর নড়বড় করে,
তারি তলে আসমানীরা থাকে বছর ভরে।
পেটটি ভরে পায় না খেতে, বুকের ক-খান হাড়,
সাক্ষী দিছে অনাহারে কদিন গেছে তার।
মিষ্টি তাহার মুখটি হতে হাসির প্রদীপ-রাশি
থাপড়েতে নিবিয়ে দেছে দারুণ অভাব আসি।
পরনে তার শতেক তালির শতেক ছেঁড়া বাস,
সোনালি তার গা বরণের করছে উপহাস।
ভোমর-কালো চোখ দুটিতে নাই কৌতুক-হাসি,
সেখান দিয়ে গড়িয়ে পড়ে অশ্রু রাশি রাশি।
বাঁশির মতো সুরটি গলায় ক্ষয় হল তাই কেঁদে,
হয় নি সুযোগ লয় যে সে-সুর গানের সুরে বেঁধে।
আসমানীদের বাড়ির ধারে পদ্ম-পুকুর ভরে
ব্যাঙের ছানা শ্যাওলা-পানা কিল্-বিল্-বিল করে।
ম্যালেরিয়ার মশক সেথা বিষ গুলিছে জলে,
সেই জলেতে রান্না-খাওয়া আসমানীদের চলে।
পেটটি তাহার দুলছে পিলেয়, নিতুই যে জ্বর তার,
বৈদ্য ডেকে ওষুধ করে পয়সা নাহি আর।
Monday, 12 January 2015
Song: তোমায় দিলাম ভুবন ডাঙ্গার হাসি.
সোনার মেয়ে তোমায় দিলাম ভুবন ডাঙ্গার হাসি...
তোমায় দিলাম মধ্য দিনের টিনের চালের বৃষ্টি রাশি...
আরো দিলাম রোদ্রু ধোয়া সবুজ ছোয়া পাতার বাসি...
মুখে বললাম না বললাম না ভালোবাসি....
সোনার মেয়ে তোমায় দিলাম ভুবন ডাঙ্গার হাসি...
হারাবো হৃদয় টানে ভালোবাসার একটু মানে...
ইচ্ছে করছে দু জন মিলেই খুজি...
আবেগি মেঘের ভেতর পৃথিবীর সব আদর....
তুমি হবে আমার ভেবে দু চোখ উজি...
প্রজাপতি হৃদয়টা এ আমাকে নে এযে কি হল আমার কোথায়
আমি ভাসি
তোমাকেই তোমায় দিলাম ভুবন ডাঙ্গার হাসি
তোমায় দিলাম মধ্য দিনের টিনের চালের বৃষ্টি রাশি...
আরো দিলাম রোদ্রু ধোয়া সবুজ ছোয়া পাতার বাসি...
মুখে বললাম না বললাম না ভালোবাসি....
সোনার মেয়ে তোমায় দিলাম ভুবন ডাঙ্গার হাসি...
হারাবো হৃদয় টানে ভালোবাসার একটু মানে...
ইচ্ছে করছে দু জন মিলেই খুজি...
আবেগি মেঘের ভেতর পৃথিবীর সব আদর....
তুমি হবে আমার ভেবে দু চোখ উজি...
প্রজাপতি হৃদয়টা এ আমাকে নে এযে কি হল আমার কোথায়
আমি ভাসি
তোমাকেই তোমায় দিলাম ভুবন ডাঙ্গার হাসি
Thursday, 11 December 2014
Bangla Song Lyrics: তোমার ঐ মনটাকে (Tomar Oi Montake) - পার্থ বড়ুয়া
শিল্পীঃ পার্থ বড়ুয়া
কথাঃ সকাল
সুরঃ বাসু
--------------------------------
তোমার ঐ মনটাকে একটা
ধূলোমাখা পথ করে দাও, আমি পথিক হবো।
ভালবাসার কিছু পদধূলি।
তোমাকে সারাবেলা শুনিয়ে যাব, আমি পথিক হবো।।
সকালের সোনা সোনা রোদ
সেই পথের ধূলোয় এসে ছড়িয়ে যাবে।
আমার দু'চোখে বোনা বিবাগী স্বপ্নগুলো
তোমাকেই খুজে পাবে
ভালবাসার কিছু পদধূলি।
তোমাকে সারাবেলা শুনিয়ে যাব, আমি পথিক হবো।।
জোছনায় ভেজা ভেজা রাত
সেই পথের সীমানাতে জড়িয়ে যাবে।
আমার ক্লান্ত পায়ে মুখরা লগ্নগুলো
নীরবে মুখ লুকাবে
ভালবাসার কিছু পদধূলি।
তোমাকে সারাবেলা শুনিয়ে যাব, আমি পথিক হবো।।
কথাঃ সকাল
সুরঃ বাসু
--------------------------------
তোমার ঐ মনটাকে একটা
ধূলোমাখা পথ করে দাও, আমি পথিক হবো।
ভালবাসার কিছু পদধূলি।
তোমাকে সারাবেলা শুনিয়ে যাব, আমি পথিক হবো।।
সকালের সোনা সোনা রোদ
সেই পথের ধূলোয় এসে ছড়িয়ে যাবে।
আমার দু'চোখে বোনা বিবাগী স্বপ্নগুলো
তোমাকেই খুজে পাবে
ভালবাসার কিছু পদধূলি।
তোমাকে সারাবেলা শুনিয়ে যাব, আমি পথিক হবো।।
জোছনায় ভেজা ভেজা রাত
সেই পথের সীমানাতে জড়িয়ে যাবে।
আমার ক্লান্ত পায়ে মুখরা লগ্নগুলো
নীরবে মুখ লুকাবে
ভালবাসার কিছু পদধূলি।
তোমাকে সারাবেলা শুনিয়ে যাব, আমি পথিক হবো।।
Monday, 16 December 2013
Poem: ভালোবাসা পেলে সব লন্ডভন্ড করে চলে যাবো
ভালোবাসা পেলে সব লন্ডভন্ড করে চলে যাবো
যেদিকে দুচোখ যায়- যেতে তার খুশি লাগে খুব ।
ভালোবাসা পেলে আমি কেন পায়সান্ন খাবো
যা খায় গরিবে, তাই খাবো বহুদিন যত্ন করে ।
ভালোবাসা পেলে আমি গায়ের সমস্ত মুগ্ধকারী
আবরণ খুলে ফেলে দৌড় ঝাঁপ করবো কড়া রোদে...
ভালোবাসা পেলে জানি সব হবে । না পেলে তোমায়
আমি কি বোবার মতো বসে থাকবো-
ভালোবাসা না পেলে কি আমার এমনি দিন যাবে
চোরের মতন, কিংবা হাহাকারে সোচ্চার , বিমনা--
আমি কি ভীষণ ভাবে তাকে চাই ভালোবাসা জানে।
চতুর্দশপদী কবিতাবলী - শক্তি চট্টোপাধ্যায়
যেদিকে দুচোখ যায়- যেতে তার খুশি লাগে খুব ।
ভালোবাসা পেলে আমি কেন পায়সান্ন খাবো
যা খায় গরিবে, তাই খাবো বহুদিন যত্ন করে ।
ভালোবাসা পেলে আমি গায়ের সমস্ত মুগ্ধকারী
আবরণ খুলে ফেলে দৌড় ঝাঁপ করবো কড়া রোদে...
ভালোবাসা পেলে জানি সব হবে । না পেলে তোমায়
আমি কি বোবার মতো বসে থাকবো-
ভালোবাসা না পেলে কি আমার এমনি দিন যাবে
চোরের মতন, কিংবা হাহাকারে সোচ্চার , বিমনা--
আমি কি ভীষণ ভাবে তাকে চাই ভালোবাসা জানে।
চতুর্দশপদী কবিতাবলী - শক্তি চট্টোপাধ্যায়
Poem: স্বাধীনতা তুমি – শামসুর রাহমান
স্বাধীনতা তুমি
রবিঠাকুরের অজর কবিতা, অবিনাশী গান।
স্বাধীনতা তুমি
কাজী নজরুল ঝাঁকড়া চুলের বাবরি দোলানো
মহান পুরুষ, সৃষ্টিসুখের উল্লাসে কাঁপা-
স্বাধীনতা তুমি
শহীদ মিনারে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির উজ্জ্বল সভা
স্বাধীনতা তুমি
পতাকা-শোভিত শ্লোগান-মুখর ঝাঁঝালো মিছিল।
স্বাধীনতা তুমি
ফসলের মাঠে কৃষকের হাসি।
স্বাধীনতা তুমি
রোদেলা দুপুরে মধ্যপুকুরে গ্রাম্য মেয়ের অবাধ সাঁতার।
স্বাধীনতা তুমি
মজুর যুবার রোদে ঝলসিত দক্ষ বাহুর গ্রন্থিল পেশী।
স্বাধীনতা তুমি
অন্ধকারের খাঁ খাঁ সীমান্তে মুক্তিসেনার চোখের ঝিলিক।
স্বাধীনতা তুমি
বটের ছায়ায় তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীর
শানিত কথার ঝলসানি-লাগা সতেজ ভাষণ।
স্বাধীনতা তুমি
চা-খানায় আর মাঠে-ময়দানে ঝোড়ো সংলাপ।
স্বাধীনতা তুমি
কালবোশেখীর দিগন্তজোড়া মত্ত ঝাপটা।
স্বাধীনতা তুমি
শ্রাবণে অকূল মেঘনার বুক
স্বাধীনতা তুমি পিতার কোমল জায়নামাজের উদার জমিন।
স্বাধীনতা তুমি
উঠানে ছড়ানো মায়ের শুভ্র শাড়ির কাঁপন।
স্বাধীনতা তুমি
বোনের হাতের নম্র পাতায় মেহেদীর রঙ।
স্বাধীনতা তুমি বন্ধুর হাতে তারার মতন জ্বলজ্বলে এক রাঙা পোস্টার।
স্বাধীনতা তুমি
গৃহিণীর ঘন খোলা কালো চুল,
হাওয়ায় হাওয়ায় বুনো উদ্দাম।
স্বাধীনতা তুমি
খোকার গায়ের রঙিন কোর্তা,
খুকীর অমন তুলতুলে গালে
রৌদ্রের খেলা।
স্বাধীনতা তুমি
বাগানের ঘর, কোকিলের গান,
বয়েসী বটের ঝিলিমিলি পাতা,
যেমন ইচ্ছে লেখার আমার কবিতার খাতা।
রবিঠাকুরের অজর কবিতা, অবিনাশী গান।
স্বাধীনতা তুমি
কাজী নজরুল ঝাঁকড়া চুলের বাবরি দোলানো
মহান পুরুষ, সৃষ্টিসুখের উল্লাসে কাঁপা-
স্বাধীনতা তুমি
শহীদ মিনারে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির উজ্জ্বল সভা
স্বাধীনতা তুমি
পতাকা-শোভিত শ্লোগান-মুখর ঝাঁঝালো মিছিল।
স্বাধীনতা তুমি
ফসলের মাঠে কৃষকের হাসি।
স্বাধীনতা তুমি
রোদেলা দুপুরে মধ্যপুকুরে গ্রাম্য মেয়ের অবাধ সাঁতার।
স্বাধীনতা তুমি
মজুর যুবার রোদে ঝলসিত দক্ষ বাহুর গ্রন্থিল পেশী।
স্বাধীনতা তুমি
অন্ধকারের খাঁ খাঁ সীমান্তে মুক্তিসেনার চোখের ঝিলিক।
স্বাধীনতা তুমি
বটের ছায়ায় তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীর
শানিত কথার ঝলসানি-লাগা সতেজ ভাষণ।
স্বাধীনতা তুমি
চা-খানায় আর মাঠে-ময়দানে ঝোড়ো সংলাপ।
স্বাধীনতা তুমি
কালবোশেখীর দিগন্তজোড়া মত্ত ঝাপটা।
স্বাধীনতা তুমি
শ্রাবণে অকূল মেঘনার বুক
স্বাধীনতা তুমি পিতার কোমল জায়নামাজের উদার জমিন।
স্বাধীনতা তুমি
উঠানে ছড়ানো মায়ের শুভ্র শাড়ির কাঁপন।
স্বাধীনতা তুমি
বোনের হাতের নম্র পাতায় মেহেদীর রঙ।
স্বাধীনতা তুমি বন্ধুর হাতে তারার মতন জ্বলজ্বলে এক রাঙা পোস্টার।
স্বাধীনতা তুমি
গৃহিণীর ঘন খোলা কালো চুল,
হাওয়ায় হাওয়ায় বুনো উদ্দাম।
স্বাধীনতা তুমি
খোকার গায়ের রঙিন কোর্তা,
খুকীর অমন তুলতুলে গালে
রৌদ্রের খেলা।
স্বাধীনতা তুমি
বাগানের ঘর, কোকিলের গান,
বয়েসী বটের ঝিলিমিলি পাতা,
যেমন ইচ্ছে লেখার আমার কবিতার খাতা।
Monday, 7 October 2013
Music: এইতো প্রথম একটি মেয়ে আমার প্রেমে পরেছে
তোমরা কাওকে বলোনা!!
তোমরা কাওকে বলোনা!!
এইতো প্রথম একটি মেয়ে আমার প্রেমে পরেছে
পাগল করেছে, আমায় জাদু করেছে!!
এ জীবনে তোমায় যদি কাছে না পেতাম
তুমি বিনা আমি একা প্রাণে মরিতাম !!
তাইতো এ মন তোমার প্রেমে
তাইতো এ মন তোমার প্রেমে মরন-সুখে মরেছে
পাগল করেছে, আমায় জাদু করেছে!!
তোমরা কাওকে বলোনা!!
তোমরা কাওকে বলোনা!!
এতদিনে মনের আশা হলো যে পুরণ
তোমায় পেয়ে ধন্য হলো আমার এ জীবন!!
বন্ধু তোমার প্রেমের ছোয়ায়
বন্ধু তোমার প্রেমের ছোয়ায় মনটা আমার ভরেছে
পাগল করেছে, আমায় জাদু করেছে!!
তোমরা কাওকে বলোনা!!
তোমরা কাওকে বলোনা!!
এইতো প্রথম একটি মেয়ে আমার প্রেমে পরেছে
আমাকে পাগল করেছে, আমাকে জাদু করেছে!!
তোমরা কাওকে বলোনা!!
এইতো প্রথম একটি মেয়ে আমার প্রেমে পরেছে
পাগল করেছে, আমায় জাদু করেছে!!
এ জীবনে তোমায় যদি কাছে না পেতাম
তুমি বিনা আমি একা প্রাণে মরিতাম !!
তাইতো এ মন তোমার প্রেমে
তাইতো এ মন তোমার প্রেমে মরন-সুখে মরেছে
পাগল করেছে, আমায় জাদু করেছে!!
তোমরা কাওকে বলোনা!!
তোমরা কাওকে বলোনা!!
এতদিনে মনের আশা হলো যে পুরণ
তোমায় পেয়ে ধন্য হলো আমার এ জীবন!!
বন্ধু তোমার প্রেমের ছোয়ায়
বন্ধু তোমার প্রেমের ছোয়ায় মনটা আমার ভরেছে
পাগল করেছে, আমায় জাদু করেছে!!
তোমরা কাওকে বলোনা!!
তোমরা কাওকে বলোনা!!
এইতো প্রথম একটি মেয়ে আমার প্রেমে পরেছে
আমাকে পাগল করেছে, আমাকে জাদু করেছে!!
Monday, 18 February 2013
Poem: শুধু তোমাকে একবার ছোঁব
শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,
ঐ আনন্দে কেটে যাবে সহস্র জীবন।
শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,
অহংকারে মুছে যাবে সকল দীনতা।
শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,
স্পর্শসুখে লিখা হবে অজস্র কবিতা।
শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,
শুধু একবার পেতে চাই অমৃত আস্বাদ।
শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,
অমরত্ব বন্দী হবে হাতের মুঠোয়।
শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,
তারপর হব ইতিহাস।
--- নির্মলেন্দু গুণ
ঐ আনন্দে কেটে যাবে সহস্র জীবন।
শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,
অহংকারে মুছে যাবে সকল দীনতা।
শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,
স্পর্শসুখে লিখা হবে অজস্র কবিতা।
শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,
শুধু একবার পেতে চাই অমৃত আস্বাদ।
শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,
অমরত্ব বন্দী হবে হাতের মুঠোয়।
শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,
তারপর হব ইতিহাস।
--- নির্মলেন্দু গুণ
Thursday, 7 February 2013
Music: Amake Amar Moto Thakte Dao - Anupam Roy
(amake amar moto thakte dao
ami nijeke nijer moto guchiye niyechi) * 2
jeta chilona chilona sheta na pawai thak
shob pele noshto jibon
tomar ei duniyar jhapsa aloy
kichu shondher guro hawa kacher moto
jodi ure jete chao tobe ga bhashiye dao
durbine chokh rakhbona na na
na na na na
na na na na
ei jahaj mashtul chhar khar
tobu golpo likhchi bachbar
ami rakhte chaina ar tar
konno raat dupurer abdar
tai chesta korchi bar bar
santre par khojar
kokhono akash beye chup kore
jodi neme ashe bhalobasha khub bhore
chokh bhanga ghume tumi khujo na amay
ashe pashe ami ar nei
amar jonnyo alo jelo na keu
ami manusher shomudre gunechi dheu
ei station-er chottore hariye gechi
sesh train-e ghore firbona na na
na na na na
na na na na
ei jahaj mashtul chhar khar
tobu golpo likhchi bachbar
ami rakhte chaina ar tar
konno raat dupurer abdar
tai chesta korchi bar bar
santre par khojar
(na na na na na
na na na na na
na na na na na) * 2
hisheber bhire ami chai na chhute
joto sukhno peyah koli fridge er sheet-e
ami obelar dal bhaat-e furiye gechi
gelas er jol-e bhasbona na na
na na na na
na na na na
ei jahaj mashtul chharkhar
tobu golpo likhchi bachbar
ami rakhte chaina ar tar
kono raat dupur-er abdar
Music: Nilanjana - Nachiketa
লাল ফিতে সাদা মোজা সু স্কুলের ইউনিফর্ম
ন'টার সাইরেন সংকেত সিলেবাসে মনোযোগ কম
পড়া ফেলে এক ছুট ছুট্টে রাস্তার মোড়ে, দেখে
সাইরেন মিস করা দোকানীরা দেয় ঘড়িতে দম
এরপর একরাশ কালো কালো ধোঁয়া
স্কুল বাসে করে তার দ্রুত চলে যাওয়া
এরপর বিষণ্ণ দিন বাজেনা মনোবীণ
অবসাদে ঘিরে থাকা সে দীর্ঘ দিন
হাজার কবিতা বেকার সবই তা
তার কথা কেউ বলে না
সে প্রথম প্রেম আমার নীলাঞ্জনা
সন্ধ্যা ঘনাতো যখন পাড়ায় পাড়ায়
রক থাকতো ভরে কিছু বখাটে ছোড়ায়
হিন্দি গানের কলি সদ্য শেখা গালাগালি
একঘেয়ে হয়ে যেত সময় সময়
তখন উদাস মন ভোলে মনোরঞ্জন
দাম দিয়ে যন্ত্রণা কিনতে চায়
তখন নীলাঞ্জনা প্রেমিকের কল্পনা
অমনের গভীরতা জানতে চায়
যখন খোলা চুলে হয়তো মনের ভুলে
তাকাতো সে অবহেলে দু'চোখ মেলে
হাজার কবিতা বেকার সবই তা
তার কথা কেউ বলে না
সে প্রথম প্রেম আমার নীলাঞ্জনা
অংকের খাতা ভরা থাকতো আঁকায়
তার ছবি তার নাম পাতায় পাতায়
হাজার অনুষ্ঠান প্রভাত ফেরীর গান
মন দিন গুনে এই দিনে আশায়
রাত জেগে নাটকের মহড়ায় চঞ্চল
মন শুধু সে ক্ষণের প্রতীক্ষায়
রাত্রির আঙ্গিনায় যদি খোলা জানালায়
একবার একবার যদি সে দাড়ায়
বোঝেনি অবুঝ মন নীলাঞ্জনা তখন
নিজেতে ছিলো মগণ এ প্রাণপণ
হাজার কবিতা বেকার সবই তা
তার কথা কেউ বলে না
সে প্রথম প্রেম আমার নীলাঞ্জনা
ন'টার সাইরেন সংকেত সিলেবাসে মনোযোগ কম
পড়া ফেলে এক ছুট ছুট্টে রাস্তার মোড়ে, দেখে
সাইরেন মিস করা দোকানীরা দেয় ঘড়িতে দম
এরপর একরাশ কালো কালো ধোঁয়া
স্কুল বাসে করে তার দ্রুত চলে যাওয়া
এরপর বিষণ্ণ দিন বাজেনা মনোবীণ
অবসাদে ঘিরে থাকা সে দীর্ঘ দিন
হাজার কবিতা বেকার সবই তা
তার কথা কেউ বলে না
সে প্রথম প্রেম আমার নীলাঞ্জনা
সন্ধ্যা ঘনাতো যখন পাড়ায় পাড়ায়
রক থাকতো ভরে কিছু বখাটে ছোড়ায়
হিন্দি গানের কলি সদ্য শেখা গালাগালি
একঘেয়ে হয়ে যেত সময় সময়
তখন উদাস মন ভোলে মনোরঞ্জন
দাম দিয়ে যন্ত্রণা কিনতে চায়
তখন নীলাঞ্জনা প্রেমিকের কল্পনা
অমনের গভীরতা জানতে চায়
যখন খোলা চুলে হয়তো মনের ভুলে
তাকাতো সে অবহেলে দু'চোখ মেলে
হাজার কবিতা বেকার সবই তা
তার কথা কেউ বলে না
সে প্রথম প্রেম আমার নীলাঞ্জনা
অংকের খাতা ভরা থাকতো আঁকায়
তার ছবি তার নাম পাতায় পাতায়
হাজার অনুষ্ঠান প্রভাত ফেরীর গান
মন দিন গুনে এই দিনে আশায়
রাত জেগে নাটকের মহড়ায় চঞ্চল
মন শুধু সে ক্ষণের প্রতীক্ষায়
রাত্রির আঙ্গিনায় যদি খোলা জানালায়
একবার একবার যদি সে দাড়ায়
বোঝেনি অবুঝ মন নীলাঞ্জনা তখন
নিজেতে ছিলো মগণ এ প্রাণপণ
হাজার কবিতা বেকার সবই তা
তার কথা কেউ বলে না
সে প্রথম প্রেম আমার নীলাঞ্জনা
Tuesday, 22 January 2013
Poem: তুই তোর মতো করে ভালবাসিস অন্য কাউকে আজ
তুই তোর মতো করে ভালবাসিস অন্য কাউকে আজ...!!
আমি আমার থাকে মুক্তি দিলাম স্বপ্ন নিয়ে যাস...!!
অন্য আকাশে উড়ে দেখিস সুখ টা কাকে বলে...!
ক্লান্ত হলে ফিরে আসিস আমার চেনা ঘরে...!!
.
.
.
কখনো যদি চোখের পাতা ভিজিয়ে যাই জলে...!
বুঝতে পারবি পাঁজর ভাঙ্গার কষ্ট কাকে বলে..!!
কাল থাকে আর তর জন্য স্বপ্ন কিনবো না..!!
স্বপ্ন পোড়ার কষ্ট কত তুই বুজবি না...
আমাকে তুই ভুলে যাস , বাসিস নতুন বাসা
হারিয়ে গেলে বুজবি রে তুই আমার ভালোবাসা..
.
.
সুখে থাকিস ভাল থাকিস জানিয়ে দিলাম টাটা..!!
তবু তোর জন্য অপেক্ষা আর ঘরে ফেরার আশা..!!
আমি আমার থাকে মুক্তি দিলাম স্বপ্ন নিয়ে যাস...!!
অন্য আকাশে উড়ে দেখিস সুখ টা কাকে বলে...!
ক্লান্ত হলে ফিরে আসিস আমার চেনা ঘরে...!!
.
.
.
কখনো যদি চোখের পাতা ভিজিয়ে যাই জলে...!
বুঝতে পারবি পাঁজর ভাঙ্গার কষ্ট কাকে বলে..!!
কাল থাকে আর তর জন্য স্বপ্ন কিনবো না..!!
স্বপ্ন পোড়ার কষ্ট কত তুই বুজবি না...
আমাকে তুই ভুলে যাস , বাসিস নতুন বাসা
হারিয়ে গেলে বুজবি রে তুই আমার ভালোবাসা..
.
.
সুখে থাকিস ভাল থাকিস জানিয়ে দিলাম টাটা..!!
তবু তোর জন্য অপেক্ষা আর ঘরে ফেরার আশা..!!
Poem: তোর জন্য আমি আর কাঁদিনা
তোর জন্য আমি আর কাঁদিনা...
কাঁদলেও চোখের পানি ঝরেনা...
পানি ঝরলেও কষ্ট পাইনা...
কষ্ট পেলেও তোকে আর ভালোবাসিনা...
ভালোবাসলেও আর তোকে বলবোনা...
জানি বললেও তুই শুনবিনা...
শুনলেও তোর কিছু আসে যায়না...
আমি যে আজ নিঃস্ব,একা,ছন্ন ছাড়া..........
কাঁদলেও চোখের পানি ঝরেনা...
পানি ঝরলেও কষ্ট পাইনা...
কষ্ট পেলেও তোকে আর ভালোবাসিনা...
ভালোবাসলেও আর তোকে বলবোনা...
জানি বললেও তুই শুনবিনা...
শুনলেও তোর কিছু আসে যায়না...
আমি যে আজ নিঃস্ব,একা,ছন্ন ছাড়া..........
Friday, 23 November 2012
Poem: Do not stand at my grave and weep
Do not stand at my grave and weep,
I am not there; I do not sleep.
I am a thousand winds that blow,
I am the diamond glints on snow,
I am the sun on ripened grain,
I am not there; I do not sleep.
I am a thousand winds that blow,
I am the diamond glints on snow,
I am the sun on ripened grain,
I am the gentle autumn rain.
When you awaken in the morning’s hush
I am the swift uplifting rush
Of quiet birds in circling flight.
I am the soft star-shine at night.
Do not stand at my grave and cry,
I am not there; I did not die.
When you awaken in the morning’s hush
I am the swift uplifting rush
Of quiet birds in circling flight.
I am the soft star-shine at night.
Do not stand at my grave and cry,
I am not there; I did not die.
Monday, 12 November 2012
Poem: শুধু একবার আদিত্য অনীক
যখন নিষ্পত্র সমান্তরাল ঠোঁট লজ্জার ঘষা খেয়ে লাল হয়ে ওঠে
উচ্ছে জাংলার ছায়ার নীচে ঘরবাঁধা খেলা একাএকা মাথা কুটে;
খোলাচুল আর কিশোরী হাসি যখন বিকেলের বৃষ্টিতে অগোছালো
উচ্ছে জাংলার ছায়ার নীচে ঘরবাঁধা খেলা একাএকা মাথা কুটে;
খোলাচুল আর কিশোরী হাসি যখন বিকেলের বৃষ্টিতে অগোছালো
তখন কাছে যাওয়া বড্ড বেশী হবে , দুরে দাঁড়িয়ে থাকাই ভালো৷
পুরনো স্মৃতি মন খারাপের উপাদান হয়ে বুকের গহনে নড়ে
আদিগন্ত ভুল করা মন অহেতুক জিজ্ঞাসায় মাথা কুটে মরে৷
আমার একহাত সুখ, দুই হাত ভালবাসা
বুকের মধ্যে পুষে রাখি আশা ৷ তোমার জন্য,
শুধু তোমার জন্য ঘাসফুলে ভরে গেছে একাকী অরণ্য৷
শুধু একবার ছোঁব ঐ চুল চিবুক, তারপর মরে যাবো-
মরে গিয়ে ঝিনুক হব সৈকতের বারবার
তোমার কুড়িয়ে পাবার ৷
পুরনো স্মৃতি মন খারাপের উপাদান হয়ে বুকের গহনে নড়ে
আদিগন্ত ভুল করা মন অহেতুক জিজ্ঞাসায় মাথা কুটে মরে৷
আমার একহাত সুখ, দুই হাত ভালবাসা
বুকের মধ্যে পুষে রাখি আশা ৷ তোমার জন্য,
শুধু তোমার জন্য ঘাসফুলে ভরে গেছে একাকী অরণ্য৷
শুধু একবার ছোঁব ঐ চুল চিবুক, তারপর মরে যাবো-
মরে গিয়ে ঝিনুক হব সৈকতের বারবার
তোমার কুড়িয়ে পাবার ৷
Monday, 5 November 2012
Poem: সুরঞ্জনা, ওইখানে যেয়ো নাকো তুমি
সুরঞ্জনা, ওইখানে যেয়ো নাকো তুমি,
বোলো নাকো কথা ওই যুবকের সাথে;
ফিরে এসো সুরঞ্জনাঃ
নক্ষত্রের রূপালি আগুন ভরা রাতে;
ফিরে এসো এই মাঠে , ঢেউয়ে;
বোলো নাকো কথা ওই যুবকের সাথে;
ফিরে এসো সুরঞ্জনাঃ
নক্ষত্রের রূপালি আগুন ভরা রাতে;
ফিরে এসো এই মাঠে , ঢেউয়ে;
ফিরে এসো হৃদয়ে আমার;
দূর থেকে দূর – আরো দূরে
যুবকের সাথে তুমি যেয়ো নাকো আর।
কী কথা তাহার সাথে? -তার সাথে!
আকাশের আড়ালে আকাশে
মৃত্তিকার মত তুমি আজ:
তার প্রেম ঘাস হয়ে আসে।
সুরঞ্জনা,
তোমার হৃদয় আজ ঘাস:
বাতাসের ওপারে বাতাস
-আকাশের ওপারে আকাশ।
— জীবনানন্দ দাশ
দূর থেকে দূর – আরো দূরে
যুবকের সাথে তুমি যেয়ো নাকো আর।
কী কথা তাহার সাথে? -তার সাথে!
আকাশের আড়ালে আকাশে
মৃত্তিকার মত তুমি আজ:
তার প্রেম ঘাস হয়ে আসে।
সুরঞ্জনা,
তোমার হৃদয় আজ ঘাস:
বাতাসের ওপারে বাতাস
-আকাশের ওপারে আকাশ।
— জীবনানন্দ দাশ
Tuesday, 31 July 2012
Poem: আজ গানের তালে হৃদয় দোলে
আজ গানের তালে হৃদয় দোলে
মিঠে বাতাস যায়রে বয়ে
হলুদ ধানের দোদুল দোলায়
পিয়াসী মন দোলে
মিঠে বাতাস যায়রে বয়ে
হলুদ ধানের দোদুল দোলায়
পিয়াসী মন দোলে
ওলো সুজন আমার ঘরে তবু আইলো না
এ পোড়া মনের জ্বলন কেন বুঝলো না।।
এ পোড়া মনের জ্বলন কেন বুঝলো না।।
ঐ কোকিলাটার কুহু কুহু
কার লাগিগো বাজে
এই কালো মেয়ের এমন দিনে
মন লাগে না কাজে
কার লাগিগো বাজে
এই কালো মেয়ের এমন দিনে
মন লাগে না কাজে
ঐ দুরে কোথাও রাখাল বাঁশি
পাগল হাওয়ায় ভাসে
পাগল হাওয়ায় ভাসে
ওলো সুজন আমার ঘরে তবু আইলো না
এ পোড়া মনের জ্বলন কেন বুঝলো না।।
এ পোড়া মনের জ্বলন কেন বুঝলো না।।
নাক সেজেছে নাক ছাবিতে
কান সেজেছে দুলে
কালো কপালে কুমকুম আর
খোপার বাঁধন চুলে
কান সেজেছে দুলে
কালো কপালে কুমকুম আর
খোপার বাঁধন চুলে
পশ্চিম কোনে সূর্যি ডোবে
আন্ধারে মন কাঁদে
আন্ধারে মন কাঁদে
ওলো সুজন আমার ঘরে তবু আইলো না
এ পোড়া মনের জ্বলন কেন বুঝলো না
এ পোড়া মনের জ্বলন কেন বুঝলো না
———————–
অঞ্জন দত্ত, নিমা রহমান
‘গানে গানে ভালোবাসা’
অঞ্জন দত্ত, নিমা রহমান
‘গানে গানে ভালোবাসা’
Friday, 13 July 2012
Poem: যদি একবার দেখি তোমারে
যদি একবার দেখি তোমারে
সে চোখে আর দেখবে কারে
চোখের নাই কোন ধর্ম
নষ্ট করে আমারে
এই চোখ দুটো রাখব না
বেচে দেবো বাজারে ।
তোমায় পাওয়ার পরে
খুজব কারে মানুষের ভীড়ে
ভাল যদি হয় রে কপাল
কাটবে দিন চুপিসারে
তোমায় দেখার পরে
চোখ রাখব কি কারনে
হ্রদয় দিয়ে দেখবো চিরকাল
চোখের ধার কে ধারে
চোখের নাই কোন ধর্ম
নষ্ট করে আমারে
এই চোখ দুটো রাখব না
বেচে দেবো বাজারে ।
সে চোখে আর দেখবে কারে
চোখের নাই কোন ধর্ম
নষ্ট করে আমারে
এই চোখ দুটো রাখব না
বেচে দেবো বাজারে ।
তোমায় পাওয়ার পরে
খুজব কারে মানুষের ভীড়ে
ভাল যদি হয় রে কপাল
কাটবে দিন চুপিসারে
তোমায় দেখার পরে
চোখ রাখব কি কারনে
হ্রদয় দিয়ে দেখবো চিরকাল
চোখের ধার কে ধারে
চোখের নাই কোন ধর্ম
নষ্ট করে আমারে
এই চোখ দুটো রাখব না
বেচে দেবো বাজারে ।
Subscribe to:
Posts (Atom)